ছেলের অপকর্মে অন্তঃসত্ত্বা কাজের মেয়ে, টাকা দিতে চাইলেন মা! অতঃপর…

বাড়ির মালিকের ছেলের অপকর্মে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে প্রতিবন্ধী এক কাজের মেয়ে। এমনটাই অভিযোগ করেছে ভুক্তোভোগি এক প্রতিবন্ধী মেয়ে। তবে, অভিযোগ অস্বীকার করেন অভিযুক্ত ছেলের মা। এ ঘটনা ঘটে নেত্রকোনার মদন উপজেলার চন্দ্রতলা গ্রামে। প্রতিবন্ধী (১৪) মেয়েটি বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।এ ঘটনায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। মামলাটি নথিভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শওকত আলী বলেন, আদালত থেকে অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির মামলার আদেশ সংক্রান্ত কাগজপত্র এখন পর্যন্ত থানায় পৌঁছেনি। কাগজপত্র থানায় এলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।মামলার আইনজীবী হায়দার মিয়া বলেন, নির্যাতিত মেয়েটির মায়ের মামলাটি নথিভুক্ত করতে মোহনগঞ্জ থানায় পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সেখানে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নির্যাতিতা প্রতিবন্ধী কিশোরী অভিযোগ করে বলে, ‘ফারুক মিয়ার বাসায় কাজ করার সময় আমাকে প্রায় রাতে তার রুমে নিয়ে কুকর্ম করত রিজন। আমার পেটে রিজনের সন্তান।’অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির মা অভিযোগ করে বলেন, মোহনগঞ্জ উপজেলার জয়পুর গ্রামের ফারুক মিয়ার বাড়িতে মেয়েকে কাজে দেই। সেখানে ৫ বছর কাজ করার পর কয়েক মাস আগে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসি। পরে কেন্দুয়া উপজেলার আব্দুস সালামের মেয়ে শিক্ষিকা দিপা আক্তারের বাসায় কাজ করতে দেই।

কয়েকদিন আগে দিপার বাড়িতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে বাসার মালিক আব্দুস সালাম মেয়েটিকে কেন্দুয়া মডার্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা জানান মেয়েটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।এরপর মেয়েকে গ্রামের বাড়ি নিয়ে আসি। আমার মেয়ে জানিয়েছে আগের বাসার মালিক ফারুকের ছেলে রিজন মিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পরে বাড়ির মালিক ফারুক মিয়াকে বিষয়টি জানালে ছেলের অপকর্ম ধামাচাপা দিতে আমাদের টাকা দিতে চায় তার স্ত্রী।

আমরা গরিব মানুষ। মেয়েটি প্রতিবন্ধী। এই মেয়ের দায়িত্ব কে নেবে? তাই ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় ৪ নভেম্বর রিজন, তার বাবা ফারুক মিয়া ও মা হেনা আক্তারকে আসামি করে মামলা করেছি।অভিযুক্ত ছেলের মা হেনা আক্তারের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গরিব মেয়েটিকে আদর-যত্নে লালন-পালন করেছি।

কয়েক মাস আগে বেতন নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে যায় তার মা। ৮ মাস পর মোবাইল ফোনে আমাদের জানায় তার মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা। আমার ছোট ছেলে রিজনকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করছে তারা। এটি ষড়যন্ত্র। বিষয়টি শোনার পর প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিছু টাকা দিতে বলেছিলাম। কিন্তু তারা এখন টাকার বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রচার করছে।

One comment

  1. Taxi moto line
    128 Rue la Boétie
    75008 Paris
    +33 6 51 612 712  

    Taxi moto paris

    Hello there, You’ve done an incredible job. I’ll definitely
    digg it and personally suggest to my friends. I’m confident they
    will be benefited from this website.