ট্রাক-চালক ও পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র রাজধানীর পোস্তগোলা, নিহত ১

সকাল থেকে শ্রমিক-পুলিশ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের চলাকালে প্রায় ৪ ঘণ্টা পোস্তগোলা ব্রিজে যানচলাচল বন্ধ ছিল। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু উপস্থিত হয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পুলিশ ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর টোল নেওয়া স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। দুপুর ১২টার দিক থেকে যানচলাচল শুরু হয়।

রাজধানীর পোস্তগোলায় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর টোল বাড়ানোকে কেন্দ্র করে আজ শুক্রবার ট্রাক-চালক ও পুলিশের সংঘর্ষে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চার জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

জানা যায়, সকাল ৮টায় পোস্তগোলা ব্রিজে টোল বাড়ানোকে কেন্দ্র করে টোল প্লাজায় কর্মরতদের সঙ্গে ট্রাক শ্রমিকদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পুলিশ এ সংঘর্ষ থামাতে গেলে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে পুলিশ।

ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) পরিদর্শক নাজমুল হাসান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এখানকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

শ্রমিকরা জানান, এই সেতুতে আগে ট্রাকের টোল ছিল ৩০ টাকা। গত ২২ অক্টোবর সেই টোল বাড়িয়ে করা হয় ২৪০ টাকা। হঠাৎ করে এত বেশি টোল বাড়ানোয় তারা বিপাকে পড়েছেন। বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত এ সেতুর টোল বাড়ানোর প্রতিবাদে ২০১৫ সালে অটোরিকশাচালকদের বিক্ষোভে তিন দিন যান চলাচল বন্ধ ছিল।

কেরাণীগঞ্জের ইকুরিয়া জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার কারিমুল হাসান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, সকালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়।

তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহেল নামে এক ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ তার লাশ নিয়ে গেছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

2 comments

  1. Taxi moto line
    128 Rue la Boétie
    75008 Paris
    +33 6 51 612 712  

    Taxi moto paris

    Heya are using WordPress for your site platform?

    I’m new to the blog world but I’m trying to get started and set up my own. Do
    you require any html coding expertise to make your own blog?
    Any help would be greatly appreciated!

  2. This is very important for me